শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ০৪:০৬ অপরাহ্ন

সিলেটে প্লাজমার জন্য পাগল হয়ে ছুটছেন রোগীর স্বজনরা

আমার বিশ্বনাথ ডেস্ক / ১০৭ বার পঠিত
আপডেট : শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১, ১২:০৬ অপরাহ্ণ

করোনায় আক্রান্ত হয়ে সিলেটের নর্থ ইস্ট মেডিকেলে আইসিইউতে ভর্তি বিশ্বনাথের জগদিশপুর গ্রামের এ. আর. ব্রিকস ফিল্ডের মালিক হাজী ফয়জুর রহমান (৬০) ছেলে সন্তান থাকায় ছোট ভাই মজলু মিয়া পাগল হয়ে বি পিজিটিভ প্লাজমা খুজতেছেন দুই দিন যাবত একসময় সিলেট প্লাজমা সংগঠনের রাজিব এবং সিলেট জেলায় যার নেত্বতে ১০০ অপরে করোনা রোগী প্লাজমা সংগ্রহ করে দিয়েছেন তাদের সাথে মাউন্ড এডোরা হসপিটালে প্লাজমা কস পরিক্ষায় দেখা হয় ভাগ্য গুনে আল্লাহয় দয়াতে ৪০০ মিলি মধ্যে ২০০ মিলি প্লাজমা দান করে সিলেটের ব্যবসায়াী আরাফাত ভাই। অন্য আরেকজন সিলেট নুরজাহান হাসপাতালের আইসিইউতে আছেন বিশ্বনাথের এক নারী (৫৫)। ওই নারীর স্বামী ও ছেলে নেই। ভাসুরের ছেলে তাকে দেখাশুনা করছেন।

তিনি জানান, আমার চাচীর অবস্থা খুব খারাপ। এ পজিটিভ প্লাজমা দরকার, কিন্তু পাচ্ছি না। দুই দিন ধরে প্লাজমা খুঁজছি।

একই হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে ৭০ বছর বয়সী নানীকে ভর্তি করেন কামরুল। হাসপাতালে ভর্তির পর তার করোনা শনাক্ত হয়। বর্তমানে কামরুলের নানী করোনা আক্রান্ত হয়ে সিলেটের নূরজাহান হাসপাতালের আইসিইউতে আছেন। চিকিৎসকরা বলেছেন তার চিকিৎসার জন্য প্লাজমা দরকার। তাই হন্য হয়ে প্লাজমা খুঁজছেন কামরুল।

কামরুলের মত সিলেটের অনেক করোনা আক্রান্ত রোগীর স্বজনরা প্লাজমার জন্য ছোটাছুটি করছেন। কিন্তু প্লাজমা পাচ্ছেন না।

সিলেটে প্লাজমা সংগ্রহ করে রোগীদের সহযোগিতা করে ‘ইমার্জেন্সি প্লাজমা সংগ্রহকারী টিম সিলেট’ নামে একটি সংগঠনের সদস্যরা।

এই সংগঠনের সদস্য শফি আহমেদ জানান, তাদের কাছে প্রতিদিনই প্রায় ১৫ থেকে ২০টি কল আসে প্লাজমা সংগ্রহ করে দেওয়ার জন্য। এর বিপরীতে আমরা মাত্র তিন থেকে পাঁচ জনকে প্লাজমা সংগ্রহ করে দিতে পারি।

সারা দেশের ন্যায় সিলেটেও করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী ও মৃত্যের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। শুক্রবারও সিলেটে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬ জন। শনাক্তের সংখ্যারও নতুন রেকর্ড হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার ৮টা পর্যন্ত) ৪৪২ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। যা সিলেটে এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ।

সরজমিনে সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে দেখা যায়, ‘ইমার্জেন্সি প্লাজমা সংগ্রহকারী টিম সিলেট’ এর সদস্য শফি আহমেদ চারজন ডোনার নিয়ে এসেছেন প্লাজমা সংগ্রহ করার জন্য। তাদের সঙ্গে আছেন প্লাজমা ব্যবহারকারী রোগীর স্বজনরা।

শফি আহমেদ বলেন, প্রতিদিনই ১৫ থেকে ২০ জন রোগীর স্বজন আমাদের সাথে যোগাযোগ করেন প্লাজমার জন্য। আমরা সবাইকে প্লাজমা দিয়ে সহযোগিতা করতে পারি না। কারণ যেকারো প্লাজমা করোনা রোগীর শরীরে দেওয়া যায় না। যারা করোনামুক্ত হয়েছেন শুধুমাত্র তাদের প্লাজমা করোনারোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এখন অনেক করোনামুক্ত রোগী স্বাছন্দে প্লাজমা দেন। আবার অনেকে ভয় পান প্লাজমা দিতে। অনেকেই মনে করেন করোনা থেকে মুক্ত হওয়ার পর আবার প্লাজমা দিলে হয়তো তার শরীরে ক্ষতি হতে পারে। তাই এই প্লাজমা সংকট।

তবে করোনা চিকিৎসায় প্লাজমা থেরাপির ক্লিনিক্যালি কোনো প্রমাণ নেই বলে জানান চিকিৎসকরা। তারপরও রোগীর স্বজনদের চাহিদার প্রেক্ষিতে প্লাজমা থেরাপির পরামর্শ দেন বলে জানান বেশ কয়েকজন চিকিৎসক


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: