1. admin@dainikamarbiswanath.com : admin :
শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২, ১১:৩০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
স্পেনের বার্সেলোনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র স্বাধীনতা দিবস উদযাপন বিশ্বনাথে নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি মতবিনিময় সভা ; আহবায়ক কমিটি গঠন দয়ামীর ইউনিয়ন এডুকেশন ফোরাম ইউ.কে এর উদ্দ্যোগে ফ্রি ব্লাড ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ওসমানী নগরে সপ্তাহ ধরে মা ও মেয়ে কে জোরপূর্বক ধর্ষন! বিশ্বনাথে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্দোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ দৌলতপুর ইউনিয়ন এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে এর পক্ষ থেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ বিশ্বনাথে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি চাল আত্মসাৎ এর অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত বিশ্বনাথে ছাত্রদলের বিভোক্ষ মিছিল বিশ্বনাথ পৌর সেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি গঠন শিশুশ্রম ও জীবিকার বোঝা তাদের কাঁধে দেশকে দুর্নীতি মুক্ত করতে একটি গ্রহনযোগ্য নির্বাচন প্রয়োজন – টি.আর.চৌধুরী

বিশ্বনাথে মুসলিম সুইটমিটে ১৫০ টাকা জিলাপি ২৬০ টাকা

দৈনিক আমার বিশ্বনাথ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২২
  • ১২৯ বার পঠিত

প্রতিটি পণ্যে বাজার দর থেকে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করে সিলেটের বিশ্বনাথে ভোক্তা জনসাধরণের প্রতিনিয়ত গলা কাটছে মুসলিম সুইটমিট নামের একটি মিষ্টির দোকান। পৌরশহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল থাকায় ভোক্তারাও বেশি থাকে ওই দোকানে। আর এই সুযোগে ইচ্ছেমত দাম বসিয়ে বিক্রি করছে মুসলিম সুইটমিট।

পৌরশহরে রাজমহল, বনফুল, রিফাত, পিউরিয়া, মধুবনসহ নামকরা ব্যান্ডের শপগুলোতে যে জিলাপীর কেজি ১৫০ টাকা, সেই জিলাপীর কেজি মুসলিমে ২০০ টাকা। আর শাহী/রেশমী জিলাপী নামে ছোট ছোট আকারের জিলাপী বাকি সব প্রতিষ্ঠানে কেজি ২০০ টাকা হলেও মুসলিমে প্রতি কেজি ২৬০ টাকা। পাশাপাশি মিষ্টি, নিমকিতেও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় ২০-৫০ টাকা বাড়তি। এছাড়া ইফতারির পণ্য, শিশুখাদ্যসহ সবকটি পণ্যে বাড়তি দাম। এ যেন নিজের ইচ্ছেমত দাম বসানো।

স্কুল শিক্ষক কাজল দে ক্ষুব্দ হয়ে অভিযোগ করে বলেন, তাদের জিলাপীতে কি এমন আছে যে ২৬০ টাকা কেজি। পৌর শহরের প্রাণ কেন্দ্রে থাকায় সবাই এখানে কিনতে আসে। আর এখানে প্রতিটি পণ্যের দাম বেশি। দেখার কেউ নেই। তিনি বলেন, ধন্যাঢ্য ব্যক্তিরা মুসলিমে পণ্য কিনে, তারা পণ্যের দাম দর জিজ্ঞেস করেন না। তাই এই সুযোগে তারা গলা কাটছে আমাদের মত সাধারণ ভোক্তাদের। আর পণ্য কিনলে সাদা কাগজ ছাড়া কোন রশিদ দেয় না। তাই ভোক্তা অধিকার আইনে অভিযোগও করা যায় না।

মুসলিমের এই অতিরিক্ত দাম নিয়ে ভোক্তাজনসাধারণ অনেক বার অভিযোগ করেছেন। এমনকি গত বছর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায়ও এ অভিযোগ উঠে। কিন্তু প্রশাসনিকভাবে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। এতে করে ভোক্তাদের মধ্যে ক্ষোভ আর হতাশা বিরাজ করছে।

পণ্যের অতিরিক্ত দাম নেয়া বিষয়ে কথা হলে মুসলিম সুইটমিটের স্বত্ত্বাধিকারী বাবুল মিয়া বলেন, অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় আমাদের পণ্যগুলোর গুণগত মান ভাল, তাই দামও বেশি। এছাড়া সব মালামালের দামও বাড়তি।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক নুসরাত জাহান বলেন, বাজার দরের তুলনায় অতিরিক্ত দাম নেয়া কোনভাবেই কাম্য নয়। বিষয়টা দেখতেছি। কপি বিশ্বনাথের ডাক

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা